পেশা বাছাই

পেশা নিয়ে অপেশাদার কার্যকলাপ!

নানান মানুষের নানান পেশা, কারো শান্তি কারো সর্বনাশা। জীবন যেমন ছোট একটা সময় রেখা, তেমনি সিদ্ধান্তগুলোও হয় ছোট ছোট আর নানান জট পাকানো। পেশা নিয়ে পেশাদার দৃষ্টিভংগি ক’জনেই বা দিলেন? তবু পেশা চলে আসছে মানুষের চালিকা শক্তি হয়ে। একে নিয়ে স্বপ্ন দেখে, স্বপ্ন কাটে কিংবা ভেঙ্গে চুরে করে চৌচির। জীবন কেড়ে নেয় জীবনের সব চাহিদা, সখ, কষ্ট।

একটু জটিল আলাপ শুরু করেছি? না মোটেও। পঞ্চাশ বছরের কারো সাথে কথা বলেছেন পেশা নিয়ে? তার নিজের দৃষ্টিতে পেশা কেমন? হয়ত বলেছেন। অনেকেই পঞ্চাশ বছর কেনো ষাট বছর পেরিয়েও জানেন না, পেশা নিয়ে তার কী কী করা উচিৎ ছিলো?

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন, নিজের পেশাকে ঘৃনা করেন। অন্যের ঘৃনিত পেশাকে অনেক ভালবাসেন। অনেকটা অন্যের বউয়ের চেহারার মত ব্যপার। নিজেরটা ভাল লাগে না কারোরই। আমার নিজের অনেক ভাল লাগে ব্যাংকার হতে। কিন্তু ব্যাংকার যারা তারা দেখুন সেই পেশাতেও হাপিত্তেশ করে করে মরছে, কবে মুক্তি পাবে? পেশা নিয়ে মত বিনিময় করে আমি হতাশ হয়েছি বারবার। পেশা নিয়ে কারো মাঝে পেশাদারিত্ব খুঁজে পেলাম না।

এসব কারনেই হয়ত, আমাদের জনবহুল দেশের মানুষগুলো সকাল ৮টায় অফিসে যায়, আর ফেরে যে কোন অনির্দিষ্ট সময়ে। কারো দশটা কারো তারও পরে। কাজে পেশাদারিত্বের পরিচয় নেই, স্বভাবে পেশার প্রতি ভালবাসা কই? সবাই এক জায়গায় বন্দী, টাকা। টাকায় পেশা বদল হয়ে নোংরা হয়ে যায়, পুরনো হয়ে যায়, দুষিত পেশাও আপন হয়ে যায়। টাকা যখন পেশা বাচাইয়ের মাপকাঠি তখন সময় রেখা, জীবন রেখা, পঞ্চাশ বছর ষাট বছর সব কিছুই সমান।