ডায়েরির পাতা ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫

সুস্থ্য থাকলে মোটেও মনে আসে না অসুস্থ্য থাকার দুর্দশা/যন্ত্রনা। কিন্তু অসুস্থ হলেই টের পাওয়া যায় আহা সুস্থ্য জীবনের কি যে আরাম!

আমি গত রাত ৩ঃ৩০মিন থেকেই অসুস্থ্য হয়ে পড়েছি। গতকাল নান্না বিরিয়ানী খেয়ছিলাম, সাথে আমার অফিসের জেনারেল ম্যানেজার কর্তৃক সামান্য বোরহানী, কোনটা যে এর কারন তা বুঝে উঠতে পারছি না। কিন্তু ওয়াশ রুমের সাথে এর মধ্যেই বন্ধুত্ব হয়ে গেছে। ঘন্টায় একবার করে দেখা করতে যাওয়া!

সাইফানের সাথে আজ দুপুরে কথা হল, বলল- তোমার কি জ্বর নাকি? গত রাত থেকেই নাকি সে বুঝতে পারছে আমার অসুখ।
বুঝলাম না, আগেকার দিনে শুনতাম ছেলেমেয়েদের খারাপ কিছু হলে মা বাবা টের পেয়ে যেতেন, আর এখন আমার বেলায় দেখি উল্টা ব্যপার! ওদের অসুখ বিসুখ হলে আমি কিছুই টের পাইনা, আমার বেলায় তারা টের পায়।

বড়ই চিন্তার বিষয়!

আমার মনে আজেবাজে চিন্তা আসে এই সময়ে, অসুস্থ্যতার সময়ে। এর কারন হয়ত ভিন্ন, নয়ত সবাই এমন। তবু ভাবনার ব্যপ্তিকে আরো সাজাই। কী করে সেরে উঠা যায় তা ভাবি। সেবা করার যা একজন ছিল সেও সেবা পাবার জন্যে গ্রামে তার বাবার বাড়িতে উঠেছে। মাতৃত্বকালীন সেবার দরকার। ছোট ছেলেটা নাকি প্রতিদিন এলোমেলো কেঁদে যায়, অস্থির তার কান্নার ডং! সাইফান ছোট অবস্থায় যখন কাঁদত তার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকা অসম্ভব হতো। এতো সুন্দর ছেলে কাঁদলে তার মুখের এই দশা হবে কে জানত? ছোট ছেলেটির বয়স এক মাস দুই দিন কেবল- কিন্তু কান্নার ব্যাপারে ওস্তাদ। ওর কান্না দেখে ওর মা বুঝতে পেরেছিল- কিছু একটা গোলমাল আছে তাই ডাক্তার দেখিয়েছে। ডাক্তার ঔষধ দিয়েছে। এখন নাকি কান্নার পরিমান কিছুটা কম। জন্মের পর একদিন ছিলাম ওর সাথে, বাকি একমাস একদিন দেখা হচ্ছে না। এদিকে নিজেই যেতাম, কিন্তু অসুস্থতা বাঁধ হয়ে দাঁড়াল।