ক্যারিয়ার গাইড পার্ট ৩ ( প্রাইভেট চাকুরির সীমাবদ্ধতা)

ক্যারিয়ার গাইড পার্ট ৩ ( প্রাইভেট চাকুরির সীমাবদ্ধতা)

বর্তমানে চাকুরীজীবি মানুষের মাঝে সবচে’ বেশি আছেন বেসরকারি চাকুরে। এই গ্রুপের মাঝে র‌্যাংক অনুযায়ী অনেক উপরের দিকে যেমন আছেন আবার খুব সামান্য আয়ের মানুষও আছেন।  সরকারি চাকুরী সাধারন একটা চাকুরী। এই শ্রেনীর চাকুরের দেশের মানুষের সেবা দেয়া একমাত্র কাজ হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা হয়ে উঠে শোষনের হাতিয়ার। যার জন্য সরকারী চাকুরীতে ব্যক্তি স্বকীয়তা থাকেনা। অবৈধ কাজে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা বেশি। মুজুরী কম হবার কারনে এই চাকুরের মানুষ জনগনের কাছে কেউ বিক্রি হয় কেউ কেউ আবার সেবা গ্রহিতাকে নির্যাতন করে টাকা হাতায়। এর সংখ্যা খুবই কম, পাওয়ার জন্য মারামারি হানাহানি সহ সব কিছুই চলে। চরের জমি দখল করার মতোই অবস্থা। সব মিলিয়ে সীমাবদ্ধ গোলামী ছাড়া আর কিছুই নয় সরকারি চাকুরি। সেনা নৌ এবং বিমান সহ কিছু বাহিনীর ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম চিত্র। তারা দেশের জন্য অনেক কিছু করে দেখিয়েছেন। সেটা জন নন্দিত।

বেসরকারি সার্ভিস এরকম না। এসব দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে থাকা একটি চাকুরি খাত হল বেসরকারি খাত। প্রাইভেট জব করে স্বকীয়তা, স্বাধীনতা সবই পাওয়া যায়। তাহলে এই লেখার শিরোনাম এমন কেন? হ্যাঁ ,  এত স্বাধীন একটা চাকুরির খাত  যেখানে নিজের মত করে করা যায় সবকিছু। পচন্দ না হলে হাজারো দুয়ার থাকছে খোলা। কিন্তু তার পরেও এর সীমাবদ্ধতা কম নয়।

মুল্যায়নে সমস্যাঃ

এই সমস্যা অথবা সীমাবদ্ধতা সর্বক্ষেত্রে হয়েই থাকে। কারন কী ? স্বজনপ্রীতি আর তেলবাজি এর একমাত্র কারন।

এর থেকে বাচার  উপায়ঃ উপায় তেমন নেই। তবে আমারা আশা করবো এই রকম যারা করেন তারা অচিরেই এই থেকে সরে আসবেন। এটা যারা করেন তারা নিজে নিজের কাছে ছোট হয়ে যান বলেই আমি মনে করি।

 

যোগ্যতা ছাড়াই নিয়োগঃ

এই সমস্যা খুবই সিম্পল। সাধারনত স্বজনপ্রীতি অথবা অন্য কারনে অযোগ্য ব্যক্তিকেও নিয়োগ করা হয়। তাই যারা খুব ভাল এবং এক্সপার্ট তারা নিজের কাজে খেই হারিয়ে ফেলেন। ভাবেন এই কথা ভেবে যে তিনি কাজ জেনে যে টাকা এবং মুল্যায়ন পান তা ছাড়াই অন্য একজন মানুষ ঠিক তেমন সুবিধাই পান।

এর থেকে বাচার উপায়ঃ এর বিরুদ্ধে মৌন ক্ষোভ প্রকাশ  করা বা যতদুর সম্ভব এড়িয়ে চলা। নিজের কাজে মন বসানোই হবে উত্তম ব্যবস্থা।

 

এছাড়াও আরো অনেক সীমাবদ্ধতা আছে যেগুলো পরিবেশভেদে একেক রকম হয়। তাই এর সকল প্রতিকূলতাকে সজোরে পিছনে ঠেলে এগিয়ে যাওয়াই হবে একমাত্র লক্ষ্য। সব থেকে যেটা উচিৎ তা হচ্ছে নিজের কাজে প্রচুর অভিজ্ঞতা অর্জন করে তাক লাগিয়ে দেয়া। বসের সাথে সম্ভাব্য সকল যোগাযোগ অব্যাহত রাখাটাই হল কাজের সফলতার ক্ষেত্রে একমাত্র পাথেয়।

ি মন্তব্য এসেছে -“ক্যারিয়ার গাইড পার্ট ৩ ( প্রাইভেট চাকুরির সীমাবদ্ধতা)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।