এখন সময় আগের সময়

এখন সময়, আগের সময় অথবা তার পরে…

এখন সময় খুব ভাল যাচ্ছে বলা যায় না। তার কারন কী জানি না। কোন সমস্যার মধ্যে থেকেও সমস্যা টের না পেলে যেমন লাগে। সব কিছু সয়ে গেছে। সয়ে যাচ্ছে। ধরে গ্রামের মানুষেরা যেমন বিপদে সটকে পড়তে চায় শহুরে মানুষেরা আরো স্মার্ট। এরা পাশে থেকে সামান্য করে মজা নেয়। সে যাই হোক এখন সময় ভাবনায় পড়ার। লেখা পড়া করে আর কী হয় আজকাল? অনেকেই পড়ছে, পড়ছে আর শিখছে। কী যে শিখছে তারাই জানে। অনেকেই পড়াচ্ছে, কী যে পড়াচ্ছে আর কেন পড়াচ্ছে তারাই জানে। অনেকেই ভাবছে যা পড়াবো তাই কাজে দেবে, বাচ্চাগুলোকে মনে করছে মেশিন- রোবট।

আগের সময় আমাদের সময়ে ছাত্র থেকেও ভাল ছিলাম। আমাদের সময়টা খুব বেশি দূরে ফেলে এসেছি কী? মনে হয় এই তো সেদিন। কিন্তু সেদিন এখন আর সেদিন নেই, কাজের ফাঁকে যুগ পেরিয়ে গেছে। তাই যুগান্তরে প্রজন্মকে বুঝতেও আমাদের বাবা মায়েদের যেমন কষ্ট পেতে হয়েছিলো আমাদের অবস্থাও তাই। গ্রামের ছেলেদের সাথে কথা বলে আরাম কোথায় ছিলো? খেলার মাঠে? মাঠ হয়ত এখন নেই, আগের মাঠ ঘাট এখন আর কেউ ফেলে রাখে না। সবাই চায় আবাদ করতে। ফ্ল্যাট ব্যবসা মানে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা এসে মাঠগুলোকে, ফাঁকা গুলোকে চুরি করে ডাকাতি করে নিয়ে গেছে। এখন সব কিছু শুন্য হলেও আগের সময় মানে আমাদের ছোট সময়ে সেগুলো ছিলো। শুন্য জায়গায় বসে চিন্তা করার একটা সুযোগ ছিলো। তখন মানুষ ছিলো ১৪ কোটিরও কম। এখন ১৭ কোটিরও বেশি। আদম শুমারীর হিসেবও আজকাল সঠিক সময়ে বের হয় না। তাতে কী হয় কে জানে।?

তার পরে কী হবে? ভাবতে হয়, মাঠের বদলে ছাদ কিংবা ভার্চুয়াল গেইম হয়ত জায়গা পাবে সবার কাছে। কে খেলবে কে জানে? অনেকেই যখন   না পড়ে চলছেন নিয়ে। সারাদিন কেটে যায়, ভবিষ্যতে কত শব্দে যে তাদের কাছে যেতে হতে পারে তার চিন্তাও করা দরকার। আরো হয়ত আছে, ভাবলে বের হবে। আসুন ভাবি, বের করি।