আমি কেন লিখবো না?

বাংলাদেশে নতুন নতুন আইন হচ্ছে। এই আইন হবে, হতেই হবে। কারন আইন না বানালে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহারের সুবিধা কী? ধরুন একজন ধুমপায়ী ব্যক্তি আর একজন অধুমপায়ী ব্যক্তির মধ্যে সমান ক্ষমতা দিয়ে কোথাও পাঠালেন, তখন কী ঘটবে? নিশ্চয়ই ধুমপায়ী লোক তার প্রথম ইচ্ছা খুব মজা করে একটা ভাল ব্রান্ডের সিগারেট কিভাবে খাওয়া যায় সেই চেষ্টা করবেন। আর অন্যদিকে যিনি ধুমপায়ী নন তিনি কী করবেন? নিশ্চয় অন্য কাজ করবেন। এটা নিশ্চিত তিনি ধুমপান করবেন না।

 

এখনকার আমলে নেতাদের হয়েছে তাই। সব নেতারাই চাচ্ছেন দেশের মানুষ প্রতিবাদ করুক তা যেন না হয়। আর দেশের মানুষ বলে কি কিছু আছে নাকি? দল করলে সুবিধা পাবা, না করলে কিছুই পাবা না। কথা বলে লাভ কি? অন্যের ইমেজ নষ্ট করে তোমরা ছিঁড়ছো কার ***টা? এই চলছে ভাই নিত্য নতুন নেতাদের হালে দেশটা। আমি দেখছি বসে বসে এর শেষটা।

কিছুটা গানের সাথে মিলিয়ে গেছে তাইতো? না মিলিয়ে পারলাম না। ফালতু যত কার্যকলাপ চোখের সামনে চলে এলে প্রতিবাদ না করে পারা যায় না। এই মুহুর্তে সম্প্রচার নীতিমালার যদি কোন প্রতিবাদ না করেন, তিনিও হয়ে গেলেন কালের সাক্ষী। তাই খাচ্ছে যারা খাক না, আমার টা কেন টানবে? দেশের খেলে তেমন আর কি? সবাই যদি চুপ থাকেন তবে যাচ্ছে সবারটাই।

 

তবু বলার ছলে বলছি, প্রতিবাদটাই করছি। আমার দেশ তো ভাই একটা, জবাব ও চাচ্ছি একটা, নেতাদের কেন এমন ভাবটা, লিখবো না কেন আমি আরেকটা, নির্যাতিত মানুষের খবর?

আমি কেন লিখবো না?

তবে কি আমি লিখবো শুধু নেতাদের কাহিনী? কখন কোন মিটিং এ, কোন নেত্রী গেছেন ঘুমিয়ে, আমি পারি না দিতে উড়িয়ে, এসব কাহিনী…

ি মন্তব্য এসেছে -“আমি কেন লিখবো না?